1. admin@dwiptv.com : dwiptv.com :
  2. dwiptvnews2121@gmail.com : sub editor : sub editor
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন

লাকসামে দিন-দিন করোনা সংক্রমণ বাড়ছে প্রশাসনের নির্দেশনায় স্বাস্থ্যবিধি মানছে না জনসাধারণ

রবিউল হোসাইন সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার (কুমিল্লা)
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
লাকসামে দিন-দিন করোনা সংক্রমণ বাড়ছে প্রশাসনের নির্দেশনায় স্বাস্থ্যবিধি মানছে না জনসাধারণ
লাকসামে দিন-দিন করোনা সংক্রমণ বাড়ছে প্রশাসনের নির্দেশনায় স্বাস্থ্যবিধি মানছে না জনসাধারণ

কুমিল্লার লাকসাম পৌরশহর ও উপজেলার সর্বত্র করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগে এ অঞ্চলের সাধারন মানুষের আস্থা বাড়াতে নানাহ কৌশলের উদ্যোগ নিয়ে গত কয়েকদিন যাবত ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলা প্রশাসনসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ১লা জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সরকারের এ বিধি নিষেধ বলবৎ থাকবে। স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় দু’সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের মধ্যদিয়ে পার করছে এ কয়টা দিন এ অঞ্চলের মানুষ। এমনিতো আষাঢ় মাসের অবিরাম বৃষ্টি তার উপর সরকারের ২১ দফা নির্দেশনায় লক ডাউনের কবলে পড়ে এলাকার হতদরিদ্র দিনমজুররা অনেকটাই বেকায়দায় পড়েছে।

 

ফলে লাকসামে করোনায় আক্রান্তের হার বাড়লেও স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা কিংবা নির্দেশ এবং স্বাস্থ্যবিধি মানছে না মানুষ। এ উপজেলায় প্রথম দফায় ৩১ হাজার ৬’শ১০ করোনা ভ্যাকসিন ডোজ এসেছে যা এলাকার জনসংখ্যার তুলনায় অপ্রতুল্য। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একাধিক সূত্র জানায়, নমুনা সংগ্রহ ৩,৯০২,আক্রান্ত ৮৪৪, মৃত্যু ২৮।প্রথম দফায় ওই করোনা ভ্যাকসিন ডোজ এ উপজেলায় আসলে সরকারি হাসপাতাল ইনচার্জ ডাঃ নাজিয়া বিনতে আলম এলাকার সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন প্রয়োগ নিতে ইচ্ছুক ব্যাক্তিদের রেজিষ্ট্রেশন করতে আহবান জানিয়েছিলেন। ১ম দফায় ১৭ হাজার ৩’শ২৯ ডোজ ও ২য় দফায় ১৩ হাজার ২’শ৩৩ ডোজ নিতে রেজিঃ করেছেন মানুষ।

 

৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯’শ২টি। মানুষের শরীরে করোনা সংক্রমনে আক্রান্ত সনাক্ত করা হয়েছে ৮’শ৪৪ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৮ জন ও সুস্থ্য হয়েছে ৬’শ৭৩ জন। পারিবারিক পর্যায়ে আইসোলেশনে রয়েছে ১’শ৫৮ জন এবং সরকারী হাসপাতালে আইসোলেশনে ভর্তি আছেন ৭ জন। সূত্রটি আরও জানায়, ৩য় দফায় এখন পর্যন্ত করোনা ভ্যাকসিন ডোজ না আসলেও ৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রেজিঃ এবং নমুনা সংগ্রহ পুনরায় শুরু হয়েছে তবে ভ্যাকসিন ডোজ না আসায় প্রয়োগ এখনও শুরু হয়নি। এ অঞ্চলের জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে আগামী কিছুদিনের মধ্যে করোনা ভ্যাকসিন ডোজ সরবরাহ করা হবে।

 

গত ১ সপ্তাহে সরকারি ভাবে কেউ সুস্থ্য ঘোষিত হয়নি তবে আর.আই.পি.সি.আর ১’শ৭৪ জন ও রেপিড অ্যান্টিজন ৮৭ জনের মধ্যে ১’শ২৯ জনের পজেটিভ। হাসপাতালে ভর্তি আছে ৯ জন। এ হাসপাতালে সেন্ট্রাল সিলিন্ডার অক্সিজেন সিলিন্ডার সচল থাকলেও আইসিও এবং সিসিও বেড নাই। গত দু’সপ্তাহে রোগী সংখ্যা অত্যন্ত বেশি, স্বাস্থ্য দপ্তর কর্মকর্তারা মানুষকে সচেতনতা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে চলমান রাখছে। স্থানীয় বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদের একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি এ উপজেলায় করোনা ভাইরাস টিকা আসায় করোনা সু-রক্ষা পন্য মাক্স ব্যবহারে কারোই যেন আগ্রহ নেই। পৌরশহর এলাকার চাইতে গ্রামাঞ্চলে মাক্স ব্যবহার না করার প্রবনতা অনেকইটা বেশি। দেশজুড়ে বহু প্রতিক্ষিত করোনা ভাইরাস টিকাদান কর্মসুচী ১লা জুলাই থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সে শুরু হলেও এ অঞ্চলে তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে অনীহাভাব প্রকাশ পাচ্ছে। স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসক বোর্ডর একাধিক সদস্য জানায়, বিশ্বব্যাপী প্রায় ২ হাজার ৫০ থেকে ৩’শ প্রকারেরও বেশি মারাত্মক ও ভয়ংকর রোগ রয়েছে। প্রত্যোক রোগেই আলাদা আলাদা এবং ওই রোগের চিকিৎসা প্রদ্ধতিও আলাদা।

 

বর্তমানে ভংয়কর মহামারী করোনা ভাইরাস নিয়ে সরকারি-বেসরকারি ভাবে প্রচুর গবেষনা হচ্ছে এবং নানাহ বেসরকারি সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ সম্পর্কে নতুন নতুন চমকানো ভয়ংকর অনেক তথ্য বের হয়ে আসছে। বিশেষ করে করোনা ভাইরাস নামটা বর্তমানে সকল শ্রেনি পেশার মানুষের মাঝে ভংয়কর সৃষ্টিকারী রোগ এ ভয়াবতা সম্পর্কে আমাদের পূর্বের কোন অভিজ্ঞতা না থাকলেও চলমান সময়ে এ অঞ্চলের একাধিক বন্ধু কিংবা স্বজনদের মধ্যে কেউ কেউ এ মরনব্যাধি করোনা ভাইরাস ভয়ংকর রোগে আক্রান্ত এবং জীবনদান করেনি সমাজে এমন লোক কিন্তু পাওয়া যাবে না। নানান সময় নানাহ রোগের প্রকোপ কিংবা কোন না কোন ক্ষেত্রে অস্থিরতা সমাজ জীবনে সাময়িক ভাবে আসে। আবার চলেও যায়। বহু জীবন ধ্বংস কিংবা সামাজিক অস্তিত্বকে অস্থির করে। বিধ্বংসী এ রোগ করোনা ভাইরাস বিগত দেড় বছর ধরে আমাদের সার্বিক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থের দিকে নিয়ে গেছে কিন্তু সেও একদিন চলে যাবে।

 

সূত্রগুলো আরও জানায়, আমরা আমাদের দেশে অদৃশ্য ভাইরাস করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশের টিকা-ভ্যাকসিন ও সুরক্ষা সরঞ্জামের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে চাই না। আমাদের দেশে অনেকগুলো বড় বড় ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মহামারী করোনার ভ্যাকসিন আমাদের দেশে নিজের প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন করতে পারি এবং নিজ দেশের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্ব বাজারে রপ্তানি করে আমরা সারা দুনিয়া দখলে নিতে পারি কারন আমরা বীরের জাতি সে প্রত্যাশায় দেশের ১৮ কোটি মানুষের। অপরদিকে মহামারী করোনার প্রকোপে আতংকে এ এলাকার মানুষগুলো। তারপর স্বাস্থ্য দপ্তরের নিয়মনীতি উপেক্ষা করোনাকালে সুষ্ঠ্য নীতিমালা ও সম উপযোগী নানান আইন-কানুন না মেনেই চলছে এ এলাকার প্রায় ৪০/৪৫টি বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ক্লিনিক। এ ব্যাপারে জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও বর্তমান করোনা ভাইরাসের সার্বিক অবস্থা ও ভ্যাকসিন প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আমাদের এন্ড্রয়েড এপস আপনার মোবাইলে ইন্সটল করুন।

Developer By Zorex Zira