1. admin@dwiptv.com : dwiptv.com :
  2. dwiptvnews2121@gmail.com : sub editor : sub editor
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের এ কেমন আচরণ?

মোঃ লিটন মাহমুদ, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি :
  • আপডেট: শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২
মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের এ কেমন আচরণ?
মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের এ কেমন আচরণ?

মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় পৌনে আটটার সময় এস.আই সজিবের একটি মামলার বাদী ও সাক্ষীদের আসতে বলে। সেই মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের নিয়ে থানায় যান সাংবাদিক মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যকরি সদস্য আব্দুস সালাম। সাংবাদিক আব্দুস সালাম, সাংবাদিক হুমায়ুন কবির ও ফটোসাংবাদিক শাহরিয়ার মুন্সীর রুমের সামনে দাঁড়িয়ে এসআই সজিবের অপেক্ষায় ছিলেন। অপরদিকে কিশোর গ্যাং লিডার আটক করেছে পুলিশ সেখানে অনেক কিশোর গ্যাং এসে জড়ো হচ্ছে দেখছে, গারোদে লোকজন যাচ্ছে দেখছে কোন সমস্যা হচ্ছে না। আমরা তিনজন সাংবাদিক মুন্সীর রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছি কেন এটা সমস্যা। সাংবাদিক বলার পরেও কনস্টোবল বললেন আপনারা এখান থেকে চলে যান, ওদিকে যান। এখানে দাঁড়ানো নিষেধ। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও ওখান থেকে বার বার খলিল সাহেব জানালেন ওখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য। এমন সময় সাংবাদিক প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুস সালাম খলিলকে বলেন, কিশোর গ্যাং দেখতে আরো অনেক কিশোর গ্যাং আসলো তাদের কিছু বললেন না সাংবাদিকদের সরে যেতে বলছেন বিষয়টা বুঝলাম না এমন প্রশ্ন করায় খলিল এসআই মহিউদ্দিনের কাছে গিয়ে বিচার দেয় যে সাংবাদিকদের সরতে বলি সরে না। তখন থানার কয়েকজন এসআই বলেন, খলিল পুলিশের পোশাক পরা ওকে ধমক দিলেন কেন? এমন সময় গারদ থেকে কান্নার আওয়াজ ও পুলিশের সাথে ধাক্কা ধাক্কি লেগে যায় দৌড়ে ডিউটি অফিসারের রুমের সামনে থেকে ছবি তোলেন একজন সাংবাদিক। আর অমনি আছমা এবং অন্যান্য এসআইগণ তেড়ে আসেন মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং ল্যাপটপও কেড়ে নেন। পরবর্তীতে মোবাইল থেকে ছবি ডিলিট করে মোবাইল ফেরত দেন কতক্ষণ পরে ল্যাপটপও ফেরত দেন। এর কিছুক্ষন পরই দেখা যায় মুন্সীর দরজার সামনে ৭-৮জন সাধারণ জনগণ দাঁড়িয়ে আছে তাদেরকে সরে যেতে কেউ বলছে না তবে কি সাংবাদিকদের জন্যই এই আইন যে সাংবাদিকগণ ওসির রূমে গিয়ে বসে থাকবে বাহিরে দাড়াতে পারবে না!

মুন্সিগঞ্জ সদর থানা এখন সাধারণ মানুষের হয়রানি আর অবহেলার আখরা সারাদেশে যখন ব্যানার আর শ্লোগানে মুখরিত মানুষের সেবাই পুলিশের ধর্ম। ঠিক অপর দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ সদস্যরা সেবার নামে সাধারণ মানুষে হয়রানি আর খারাপ আচরণ করেন। ১লা এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭;টা৪৫ মিনিটে দুজন সংবাদ কর্মী এক ভুক্তভোগী অসহায় ব্যক্তিকে নিয়ে থানায় গিয়ে এসআই সজিবের সাথে সরাসরি কথা বলে ঝামেলা মিমাংসার জন্য গেলে পুলিশের কনস্টেবল খলিল মিডিয়া কর্মীদের অনত্র সড়ে দাঁড়াতে বলেন। তখন মিডিয়া কর্মী পরিচয় দেয়ার পরেও আবার কিছুক্ষন পরে এসে থানার গেইট এ গিয়ে দাঁড়াতে বলেন। মিডিয়া কর্মীরা তখন এর প্রতিবাদ করাতে এসআই মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের ওপরে চড়াও হন। সাংবাদিকরা দাঁড়ানো অপরাধ হলো অথচ দুই কিশোর গ্যাং আটক হওয়া আসামিদের দেখতে ৫ থেকে ৭ জন কিশোর গ্যাংরা এসে থানায় ভীড় জমিয়ে কথা বলেছে এবং আরো কিছু লোকজন এসে থানার ভিতরে ঢুকে হাঁটাচলা কথা বলছে এতে অপরাধ না। শুধু সাংবাদিকদের জন্য কেনো অপরাধ? সাংবাদিকরা থানা থেকে বের হওয়ার সময় লকাবে থাকা এক আসামির স্বজনরা এসে ঝগড়া মারামারি করতে দেখে এক সাংবাদিক মুঠোফোনে ছবি তোলার চেষ্টা করেন। তখন নারী পুলিশের সদস্য আছমা এসে সাংবাদিকের হাতে থাকা মোবাইল ফোন এবং ব্যাগে থাকা ল্যাপটপ জোড়পূবক কেড়ে নিয়ে যান। এরপর অনেক জোড়াজুড়ির পর মোবাইল ফোনের ছবি গুলোকে ডিলিট করে ফোন ফিরিয়ে দেন পুলিশ সদস্যরা। এমন আচরণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কেনো করেন পুলিশ জানতে চায় মুন্সীগঞ্জবাসী?

এ বিষয়ে সদর সার্কেল মিনহাজুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জেনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

আমাদের এন্ড্রয়েড এপস আপনার মোবাইলে ইন্সটল করুন।

Developer By Zorex Zira