1. admin@dwiptv.com : dwiptv.com :
  2. dwiptvnews2121@gmail.com : sub editor : sub editor
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ১২:২৫ অপরাহ্ন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে করোনার ভয়াবহতার বিপর্যয় নিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীর আকুতি

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট: শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে করোনার ভয়াবহতার বিপর্যয় নিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীর আকুতি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে করোনার ভয়াবহতার বিপর্যয় নিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীর আকুতি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রায় দেড় বছর হতে চলছে, এমতাবস্থায় সবচেয়ে করুন দশা আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের। ভাল লেখাপড়া করানোর আশায় স্বনামধন্য কলেজ বা কোচিং এ ভর্তি করিয়েছিলেন বাবা-মা। চারদিক বন্ধ দেয়ালে নিজেকে আর কতোদিন বন্ধ করে রাখবো আমরা?? আমি মানসিক অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি আমি নিজেকে সুস্থ মনে করছিনা। এখন আমি সেই লেভেলের মোবাইলে এডিক্টেড হয়ে গেছি। আমার স্বপ্ন গুলো শুরুর দিকেই শেষ হতে যাচ্ছে। আমার দিনকে রাত, রাতকে দিন মনে হচ্ছে, আমার আবারও ইচ্ছে করছে সেই দিনগুলোতে ফিরে যেতে যে দিনগুলো আমি হাসি আনন্দে কাটাতাম বন্ধু-বান্ধবদের সাথে। আমার আবারও ইচ্ছে করছে চারদেয়ালকে ভেঙ্গে আবারও সুস্থ জীবনযাপন করতে।

 

আমি ফিরে পেতে চাই আমার কলেজ জীবন যে জীবন আমাকে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখাতো, আমাকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথ দেখাতো, কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হয়েও লাভ কি এ সমাজে তো মধ্যবিত্তের দাম নেই। এ সমাজ উচ্চবিওবানদের কথাই চলে এ সমাজ পুঁজিপতি আর অপশক্তিতে বলিয়ান নেতাদের কথাতেই চলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কথা তো তারা ভাবেনা। আমার প্রশ্ন করোনা কি স্কুল -কলেজ,আর আমাদের মধ্যবিত্তের ব্যবসায়ে ? শিল্পকারখানা,অফিস, আদালত সব খুলে দিয়েছেন সেখানে কি করোনা নেই ? সেখানেও তো হাজার শিক্ষার্থীর বাবা-মা চাকরি করেন তাহলে তাদের ও তো জীবিকার তাগিদে বাহির হতে হয়। স্কুল -কলেজ বন্ধ রেখে ভাবছেন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, কিন্তু তার বাবা-মাও বাহিরে অফিস করেন তাহলে তার নিরাপত্তা কিভাবে রইলো ? এ অবস্থায় অনেক কোচিং বন্ধ হয়ে গেছে একবার কি ভেবে দেখেছেন তাদের কথা ? তারা দুবেলা ভাত খেতে পারছে নাকি না ? তাদের পরিবার কিভাবে চলছে ?

 

কিন্তু তারাও তো স্বপ্ন দেখছিল তারা প্রতিষ্ঠিত হলে তাদের বয়স্ক বাবা-মাকে আর কষ্ট করতে হবেনা আর অথচ স্বপ্নভঙ্গের হতাশা নিয়ে তারা আজ নিজেকে খুব দুর্বল ও ছোট মনে করছে। তারা আর এত মানসিক চাপ নিতে পারছেনা । এরকম ভয়াবহ অবস্থা দেখে অনেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন গুলোকে গলা টিপে হত্যা করছে। তারা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে রঙিনস্বপ্ন দেখতে পারছেনা। অযৌক্তিক, অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তে ধুলিস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে লাখো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, হাজার হাজার ভালো শিক্ষার্থী শুকনো ফুলের মতো ঝরে যাচ্ছে। আমার বাবার ব্যবসা কিংবা দোকান কিংবা কোচিং সেন্টার প্রায় দুই বছর যাবৎ বন্ধ, মাঝখানে খুলেও আবার অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তে মুখ থুবড়ে পড়েছে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলো, সেখানে আমরা ঘর ভাড়া, দোকান ভাড়া, গোডাউন ভাড়া, স্কুল-কলেজের বেতন কিভাবে দিব ?

 

যেখানে আমরা দুবেলা ঠিকমতো খেতে পারছিনা সেখানে আমরা কিভাবে পড়াশোনা করবো ? আমরা তো না খেয়ে মারা যাবো, আমাদের মতো মধ্যবিত্তরা কি আর স্বপ্ন দেখবে না ??উচ্চবিওবানদের তো সমস্যা নাই বাড়ি আছে আলিশান গাড়ি চলে বেগবান, ব্যাংক থেকে টাকা তুলবে আর খাবে, কিন্তু আমাদের মতো মধ্যবিওদের কি হবে ?আমরা তো নিম্নবিত্তও না যে হাত পেতে খাবো। তাহলে সমাজে মধ্যবিত্তের কি হবে তাদের কথা কি একবার ভেবে দেখেছে কেউ ?? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আমি বিনীত অনুরোধ করছি আমার স্বপ্নবাজ মনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিন। আমার বাবার মতো অনেক বাবাদের ব্যবসা, কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে তাদের জন্য একটু ভাবুন। নাহলে আমরা পড়াশোনা করতে পারবোনা। নাহলে আমাদের মতো মধ্যবিত্তের শুধু স্বপ্ন নয় গলা টিপে হত্যা করতে হবে নিজেকেও।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আমাদের এন্ড্রয়েড এপস আপনার মোবাইলে ইন্সটল করুন।

Developer By Zorex Zira